Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Asif Iqbal

Pages: 1 [2] 3 4 5
16
নতুন কোম্পানি খুলবেন তো সবাই আপনাকে স্বাগত জানাবে। কোম্পানি করবেন মানেই হচ্ছে আপনি বিনিয়োগ করবেন এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবেন। যত বেশি কোম্পানি, তত বেশি বিনিয়োগকারী। আর তত বেশি সরকারের লাভ।

কোম্পানি করার প্রথম ধাপ হচ্ছে নাম নির্বাচন। যে নাম নির্বাচন করলেন, আগে যাচাই করতে হবে যে সেই নামের কোনো কোম্পানি ইতিমধ্যে আছে কি না। যে নামে কোম্পানিটি করতে চাচ্ছেন, সেই নামে কোনো কোম্পানি নিবন্ধিত হয়ে থাকলে আপনাকে নতুন নাম খুঁজতে হবে। একই নামে একাধিক কোম্পানির নাম নিবন্ধন হতে না দেওয়াই এর উদ্দেশ্য।

www. roc. gov. bd-এই ওয়েবসাইটে নিজের নামে একটি অ্যাকাউন্ট করে নামের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করা যায়। আবেদন করার পর একটি ব্যাংক পেমেন্ট স্লিপ দেওয়া হয় এবং নির্ধারিত ব্যাংকে ৬০০ টাকার সঙ্গে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) জমা দিতে হয়।
এখনই দুই লাখের মতো কোম্পানি আছে দেশে। নতুন কোম্পানির নাম নিবন্ধন করতে প্রথমেই যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়ের (আরজেএসসি) ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখতে হবে পছন্দের নামটি দিয়ে কোম্পানি করা যাবে কি না। নামটি যদি একেবারেই নতুন হয় এবং আরজেএসসি কোনো আইনি সমস্যা না পায়, তবে তারা নামের ছাড়পত্র (নেম ক্লিয়ারেন্স) দিয়ে দেবে। ছাড়পত্র না পেলে নতুন নাম দিয়ে আবার আবেদন করতে হবে।

www.roc.gov.bd-এই ওয়েবসাইটে নিজের নামে একটি অ্যাকাউন্ট করে নামের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করা যায়। আবেদন করার পর একটি ব্যাংক পেমেন্ট স্লিপ দেওয়া হয় এবং নির্ধারিত ব্যাংকে ৬০০ টাকার সঙ্গে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) জমা দিতে হয়। টাকা পরিশোধ করার পর আবার ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাকাউন্ট লগ-ইন করতে হয়। তখন একটি ছাড়পত্রের সনদ পাওয়া যায়। নামটি ছয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সময় বৃদ্ধির অনুরোধ করলে আরজেএসসি বাড়িয়ে দেয়।

কোম্পানি নিবন্ধন করতে আরজেএসসির ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে হয়। কোম্পানির জন্য তৈরি করতে হয় সংঘ স্মারক ও সংঘ বিধি। কোম্পানির উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি সম্পর্কে বর্ণনা থাকে এগুলোতে। ব্যবসার নাম, ব্যবসার ধরন, অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণও উল্লেখ থাকে।

কীভাবে কোম্পানি পরিচালক পর্ষদ নির্বাচিত হবে, কোম্পানির সাধারণ সভা এবং বিশেষ সভা কীভাবে কখন হবে, তারও উল্লেখ থাকবে এতে। কীভাবে নতুন সদস্য নেওয়া হবে, কীভাবে কোনো সদস্যকে বহিষ্কার করা হবে, কীভাবে লভ্যাংশ বণ্টন করা হবে ইত্যাদি বিষয়ও থাকবে।

সবকিছু প্রস্তুত করেই আরজেএসসির ওয়েবসাইট থেকে কোম্পানির নিবন্ধনের আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে হবে এবং ওই আবেদনপত্র যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। সঙ্গে সংঘ স্মারক ও সংঘ বিধির মূল কপি ও অতিরিক্ত দুই কপি, নামের ছাড়পত্রের সনদ, পরিচালকদের তালিকা, পরিচালকের সম্মতিপত্র দিতে হবে।
আরেজএসসিতে এগুলো জমা দেওয়ার পর যাচাই-বাছাই হবে। এরপর কোম্পানির নিবন্ধনের জন্য সুনির্দিষ্ট ফি ধার্য করে দেবে। কোম্পানির অনুমোদিত মূলধনের ওপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট ফি ধার্য হয়ে থাকে সাধারণত। ব্যাংকে ফি জমা করার পর কাজ শেষ হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়। আরজেএসসির কর্মকর্তারা নথি পরীক্ষা করে সন্তুষ্ট হলে ডিজিটালভাবে স্বাক্ষর করবেন। এরপর সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন, সংঘ স্মারক ও সংঘ বিধি এবং ফরম ১২ ই-মেইলে পাঠিয়ে দেবে আরজেএসসি। এগুলো পেয়ে যাওয়া মানেই কোম্পানিটি নিবন্ধিত হয়েছে।

এত দিন পাবলিক ও প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি থাকলেও নতুন করে গত বছর এক ব্যক্তির কোম্পানি গঠনের জন্যও আইন করা হয়েছে। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি আইনের বিধিবিধান পরিপালন করে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হতে পারে। আর পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম শেয়ারহোল্ডারের সংখ্যা হতে হয় ৭ জন এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়।

Ref: https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4

17
দেশে কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতে অর্থায়নের প্রক্রিয়া সহজ করতে এসএমই বন্ড চালুর প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। এই প্রস্তাবের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে সংগঠনটি বলছে, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২৫ শতাংশ আসে এই খাত থেকে। আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে জিডিপিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৩২ শতাংশে উন্নীত করার যে লক্ষ্য রয়েছে, সেটি অর্জন করতে চাইলে একটি বিশেষ ব্যাংক বা এসএমই বন্ড চালুর কোনো বিকল্প নেই।

ডিসিসিআই বলছে, মোট কর্মসংস্থানের ৩৬ শতাংশ হয়েছে সিএমএসএমই খাতে। দেশজুড়ে এখন ৭৮ লাখ কুটির ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রস্তাব দেন সংগঠনটির নবনির্বাচিত সভাপতি রিজওয়ান রহমান। তিনি ১১টি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করে সেগুলোর ওপর বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআইর সহসভাপতি এন কে এ মবিন, সহসভাপতি মনোয়ার হোসেন, পরিচালক শাহিদ হোসেন, গোলাম জিলানি, হোসেন এ শিকদার, নাসিরউদ্দিন এ ফেরদৌস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রিজওয়ান রহমান বলেন, ‘করোনা মোকাবিলায় সিএমএসএমই খাতের জন্য সরকারের ঘোষিত ২২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে এখন পর্যন্ত ৫৪ শতাংশ অর্থছাড় হয়েছে। প্রথম দিকে প্রণোদনার টাকা ছাড়ে বেশ জটিলতা তৈরি হয়। আশা করছি, সামনের দিনে এই পথ মসৃণ হবে। তিনি বলেন, কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে (পিপিপি) ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে পণ্য প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যেমনটা আলিবাবা ও আমাজন করছে।’ এ ছাড়া তিনি প্রতিবছর ৫-৭ শতাংশ হারে করপোরেট কর কমানোর দাবি জানান।

ডিসিসিআইর সভাপতি বলেন, দেশের মোট রপ্তানির ৮৩ শতাংশই পোশাক খাতের। পোশাক খাতের ওপর এই একক নির্ভরশীলতা কমিয়ে পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের বাইরে অন্য দেশগুলোর সঙ্গেও বাণিজ্য বৃদ্ধির তাগিদ দেন তিনি।

Ref: https://www.prothomalo.com/business/bank/%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC-%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0

18
নিজের একটি ফ্ল্যাট হবে—এটা মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে এক বড় স্বপ্ন। তাঁদের এই স্বপ্ন পূরণে এখন হাতছানি দিয়ে ডাকছে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা যেন প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে সুদের হার কমিয়ে গ্রাহকদের দীর্ঘ মেয়াদে আবাসন ঋণ দিতে নেমেছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের আবেদন পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঋণ অনুমোদন দিচ্ছে। আবার কেউ নির্দিষ্ট সময়ে ঋণ আবেদন নিষ্পত্তি করছে।

বিদায়ী ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে সুদের হার ৯ শতাংশে কার্যকর হওয়ার পর থেকে ব্যাংকগুলোর মধ্যে একধরনের প্রতিযোগিতা শুরু হয় সুদ কমানোর। বিশেষ করে আবাসন ঋণ দিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আগের চেয়ে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এর ফলে বেশির ভাগ ব্যাংকের দেওয়া ঋণের সুদহার সাড়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক বড় চমক দেখিয়েছে। ব্যাংকটি এখন ৮ শতাংশ সুদে অন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আবাসন ঋণের গ্রাহকদের অর্থায়ন করছে। তবে নতুন ঋণ দিচ্ছে সাড়ে ৮ শতাংশ সুদে। শিগগির সুদের হার আরও দশমিক ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটি। এই ব্যাংক ‘ঠিকানা’ নামে আলাদা একটি ঋণ প্রকল্প চালু করেছে।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিন বলেন, ‘এখন ঋণের জন্য ভালো চাহিদাও আসছে। আমরাও ঋণ দিচ্ছি’। তিনি আরও বলেন, ‘ডিবিবিএলের আবাসন ঋণের সুদহার আরও দশমিক ৫০ শতাংশ কমবে। ফলে সাড়ে ৭ শতাংশ সুদে অন্য ব্যাংকের আবাসন ঋণ আমরা নেব। আর নতুন ঋণে সুদ হবে ৮ শতাংশ।’

শুধু ডাচ্-বাংলা নয়, এখন সব ব্যাংকই আবাসন ঋণে গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অনেক মানুষ ঋণ নিয়ে নতুন ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারছেন।

দেশে আবাসন ঋণের সুদহার কমিয়ে প্রথম বড় আলোচনায় আসে বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংক। ২০১৫ সালের শুরুর দিকেও ব্যাংকটি যেখানে গৃহঋণের বিপরীতে ১১ দশমিক ৯৫ শতাংশ সুদ নিত, সেখানে ওই বছরের ডিসেম্বরে তা কমিয়ে ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে শুরু করে। তখন ব্যাংক খাতে সুদহার ছিল ১৫ শতাংশের ওপরে। এর ফলে কম সুদে ঋণ বিতরণে সাফল্য আসে। গ্রাহকেরা সবচেয়ে বেশি আবাসন ঋণ নেন আইএফআইসি ব্যাংক থেকে। ব্যাংকটির ‘আমার বাড়ি’ নামে আলাদা একটি পণ্য রয়েছে। এই ব্যাংক বাড়ি নির্মাণে ২ কোটি ও সেমিপাকা ভবন নির্মাণে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়। আইএফআইসি ব্যাংকের দেখাদেখি অন্যান্য ব্যাংক আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই পথে হাঁটতে শুরু করে।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, অন্য ঋণের চেয়ে ফ্ল্যাট কেনার ঋণ বেশি নিরাপদ। কারণ এই ঋণে খেলাপি কম এবং ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত ফ্ল্যাট ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর সংকটে না পড়লে কেউ ফ্ল্যাটের মালিকানা হারাতে চান না। তাই ব্যাংকগুলো দিন দিন এই ঋণে মনোযোগ দিচ্ছে।

আগে ব্যাংকগুলো ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারত। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদানের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো (লিজিং কোম্পানি) আগে থেকেই গ্রাহকের চাহিদামতো ঋণ দিতে পারছে।

ফ্ল্যাট কেনা ও বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনও (বিএইচবিএফসি) ঋণের পরিমাণ বাড়িয়েছে। ফলে বাড়ি নির্মাণের জন্য একজন ব্যক্তি বিএইচবিএফসি থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। আর গ্রুপ করে বা দলবদ্ধ হয়ে ঋণ নিলে প্রত্যেকে পাবেন ১ কোটি ২০ লাখ টাকা করে। এ ছাড়া ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রেও একজন গ্রাহক এই সংস্থা থেকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

ঋণ বিতরণের পাশাপাশি ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়াটিও আগের চেয়ে অনেক সহজ করেছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রতিষ্ঠানগুলোই ঋণ দিতে ছুটছে গ্রাহকের দ্বারে দ্বারে।

ব্যাংক বা বিএইচবিএফসি থেকে ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ বা ফ্ল্যাট কিনতে চাইলে মোট দামের ৩০ শতাংশ টাকা নিজের থাকতে হয়। অর্থাৎ এক কোটি টাকার ফ্ল্যাট কিনতে প্রতিষ্ঠানগুলো ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়। বাকি ৩০ লাখ টাকা ক্রেতার নিজের থাকতে হয়। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের দামের পুরোটাই ঋণ হিসেবে দিতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আবাসন খাতে ঋণ বিতরণে শীর্ষ ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে আইএফআইসি, ডাচ্-বাংলা, প্রাইম, ব্র্যাক, দি সিটি, ব্যাংক এশিয়া, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক প্রভৃতি। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং (ডিবিএইচ), আইডিএলসি, আইপিডিসি, ন্যাশনাল হাউজিং, লংকাবাংলা এগিয়ে আছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ঋণের সুদহার সাড়ে ৭ থেকে ৯ শতাংশ।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডিবিএইচের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিমুল বাতেন প্রথম আলোকে বলেন, করোনা সংক্রমণ শুরুর প্রথম তিন মাস ঋণ বিতরণ একেবারেই বন্ধ ছিল। তবে গত বছরের শেষ চার মাস ভালো ঋণ গেছে। আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো ব্যবসা করেছে। আর সুদহার আগের চেয়ে কম হওয়ায় গ্রাহকদেরও আগ্রহ বেড়েছে। বলা যায়, সব মিলিয়ে আবাসন ঋণ আগের চেয়ে বেশি যাচ্ছে।

এদিকে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোও আবাসন খাতে মনোযোগ দিচ্ছে। সোনালী ব্যাংক গ্রামাঞ্চলে বাড়ি নির্মাণে ‘সোনালী নীড়’ নামে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে।

নথিপত্র যা লাগবে
বাড়ি নির্মাণ ঋণের জন্য প্রথমেই দরকার যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নকশার সত্যায়িত ফটোকপি, মূল দলিল, নামজারি খতিয়ান, খাজনা রসিদের সত্যায়িত ফটোকপি। এ ছাড়া লাগবে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস খতিয়ানের সত্যায়িত কপি। জেলা বা সাবরেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে ১২ বছরের তল্লাশিসহ নির্দায় সনদ (এনইসি)। সরকার থেকে বরাদ্দ পাওয়া জমির ক্ষেত্রে মূল বরাদ্দপত্র এবং দখল হস্তান্তরপত্রও লাগবে।

ফ্ল্যাট কেনার ঋণের জন্য অবশ্য কাগজপত্র কম লাগে। এ জন্য ফ্ল্যাট ক্রেতা এবং ডেভেলপারের সঙ্গে সম্পাদিত ফ্ল্যাট ক্রয়ে রেজিস্ট্রি করা চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি দিতে হবে। এ ছাড়া জমির মালিক ও ডেভেলপারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, অনুমোদিত নকশা ও অনুমোদনপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি এবং ফ্ল্যাট কেনার রেজিস্ট্রি করা বায়না চুক্তিপত্রের মূল কপি এবং বরাদ্দপত্র লাগবেই।

Ref: https://www.prothomalo.com/business/bank/%E0%A6%8B%E0%A6%A3-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95

19
রিকশা মেরামত করতে হঠাৎ একজন রিকশাচালকের তাৎক্ষণিক দেড় হাজার টাকা ঋণ প্রয়োজন হলো। আর সেই ঋণের জন্য তিনি চড়া সুদের মহাজনের কাছে যাবেন। মহাজন বিশ্বাস করলে ঋণ দেবেন, এরপর রিকশা মেরামত হবে। এই প্রথা শেষ হয়ে আসছে।

এখন হাতে থাকা মোবাইলের মাধ্যমে বিকাশ হিসাব থেকে তাৎক্ষণিক এমন ছোট অঙ্কের ঋণ পেয়ে যাবেন। রিকশা মেরামত করতেও অপেক্ষা করতে হবে না। বিকাশের গ্রাহকদের তাৎক্ষণিক ঋণ দিয়ে দেবে বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংক। আর সেই ঋণ সময়মতো বিকাশ হিসাবের মাধ্যমেই পরিশোধ করে দেবেন গ্রাহক, যাতে সুদহার হবে ৯ শতাংশ।

শুধু রিকশাচালক নন, ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী, যেকোনো শ্রেণির উপযুক্ত গ্রাহকেরা এমন ঋণ পাবেন। এ জন্য গ্রাহকের বিকাশ হিসাব লেনদেন প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। শিগগিরই বাংলাদেশ এমন তাৎক্ষণিক অতি ক্ষুদ্রঋণের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। সিটি ব্যাংক ও বিকাশ এই ঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এর আগে পরীক্ষামূলক ঋণ কার্যক্রম সফল হওয়ায় ব্যাংকটি এখন সারা দেশে সব বিকাশ গ্রাহকদের জন্য এই সেবা চালু করতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, গত বছরের জুলাইয়ে পরীক্ষামূলকভাবে মোবাইলের মাধ্যমেই তাৎক্ষণিক ঋণ পাওয়ার সুযোগ চালু হয়। বাংলাদেশের শীর্ষ মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের গ্রাহকদের এই ঋণ দেয় সিটি ব্যাংক। বিকাশে লেনদেন প্রতিবেদন ও ব্যবহারের ধরন দেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ঠিক করে, গ্রাহক ঋণ পাওয়ার যোগ্য কি না। ঋণ পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিকভাবে সিটি ব্যাংক ঋণ দেয়। ঋণের আকার ছিল ১০০ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এই ঋণ পেতে কোনো নথিপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। শুধু বিকাশ অ্যাপে ক্লিক করে ঋণ আবেদন করতে হয়। আর মুহূর্তেই ঋণের টাকা চলে যায় বিকাশ হিসাবে। গ্রাহকের অবস্থান কোন জেলায় বা ঋণের বন্ধকি আছে কি না, এমন কোনো কিছুরই প্রয়োজন এতে পড়েনি। এভাবেই ডিজিটাল ঋণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়।

বিকাশের এই গ্রাহকদের তাৎক্ষণিক অতি ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে স্বস্তিতে আছে বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংক। পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমে প্রায় ১৮ হাজার গ্রাহক ঋণ নিয়েছেন। সময়মতো ফেরত দিয়েছেন প্রায় সবাই। খেলাপি হয়েছে মাত্র দশমিক ৭ শতাংশ ঋণ। যেখানে ব্যাংক খাতের খেলাপি ১০ শতাংশের কাছাকাছি, আর সিটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশে মতো। এখন সিটি ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে সব বিকাশ গ্রাহকের জন্য এই ঋণ কর্মসূচি শুরু করতে চায়। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের চেয়ে এতে ঋণ বাড়াতে চায় ঋণের পরিমাণ।

প্রতিবেশী ভারত, চীন, ফিলিপাইন, কেনিয়াসহ কয়েকটি দেশে এমন ডিজিটাল ঋণ বেশ জনপ্রিয়। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি অন্য পেশাজীবীরাও ডিজিটাল ঋণ পাচ্ছেন। নতুন এই সেবা চালুর হলে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। এর আগে শুধু টাকা জমা ও পাঠানোতেই চালু ছিল মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএসএস) কার্যক্রম।

দি সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিকাশের গ্রাহকদের পরীক্ষামূলক ঋণ দিয়ে আমরা সফল হয়েছি। এতেই বোঝা যায়, ক্ষুদ্ররা ঋণ পেলে নিয়মিত পরিশোধ করবে। এখন শুধু দেওয়ার পালা। এসব গ্রাহকের কাছে ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ পৌঁছাতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে। মহাজনি প্রথা ও চড়া সুদের কবল থেকে দেশ রক্ষা পাবে।’

মাসরুর আরেফিন আরও বলেন, ‘আমরা এখন পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে অনুমোদন চাইব। অনুমোদনের পর সারা দেশে বড় আকারে এই ঋণ কর্মসূচি শুরু হবে। এর ফলে ঋণ পেতে ভোগান্তি, হয়রানি ও চড়া সুদ থেকে রেহাই পাবে দেশের মানুষ। এতে মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে।

Ref: https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%8B%E0%A6%A3

20
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগেই সাড়ে চার হাজার টাকা বেতনে পোশাক খাতের প্রয়োজনীয় একসেসরিজ বা সরঞ্জাম উৎপাদক বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি নেন। কোয়ালিটি অফিসার হিসেবে দুই বছর চাকরি করে সরঞ্জাম উৎপাদনকারী এক দেশীয় প্রতিষ্ঠানে প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট পদে যোগ দেন। বেতন ১৫ হাজার টাকা। চার বছর পর সেই চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে ব্রিটিশ এক রাসায়নিক (কেমিক্যাল) কোম্পানির বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান প্রধান হিসেবে কাজ শুরু করেন।

চাকরির এই ইতিবৃত্ত আল শাহরিয়ার আহমেদের। ব্রিটিশ কোম্পানিতে চাকরির পাশাপাশি ২০১২ সালে কোনো পুঁজি ছাড়াই ইন্ডেনটিং ফার্ম করলেন। ছয় বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সরঞ্জাম খাতের বিভিন্ন কোম্পানির জন্য যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ও রাসায়নিক আমদানি করতেন শাহরিয়ার। তারপর অংশীদারত্বে দুটি কারখানা করলেন। কিছুদিন ব্যবসা করে শেয়ার ছেড়ে দিয়ে নিজেই করলেন রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য উৎপাদনের কারখানা।

চার বছরের ব্যবধানে শাহরিয়ারের আদজি ট্রিমস লিমিটেড সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য উপখাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। বর্তমানে তুরাগ ও ধামরাই বিসিক শিল্পনগরীতে আদজি ট্রিমসের দুটি কারখানায় কাজ করেন ৮৯৩ কর্মী। জারা, ম্যাঙ্গো, পুল অ্যান্ড বিয়ার, অ্যালকোড ইংলিশসহ বিদেশি ৩১ প্রতিষ্ঠানের হয়ে সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য উৎপাদন করে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি রপ্তানি হচ্ছে ভিয়েতনাম, ভারত, পাকিস্তান, মরক্কো, পর্তুগাল, ভিয়েতনাম ও স্পেনে। তাতে প্রতি মাসে প্রায় ১০ লাখ মার্কিন ডলার বা সাড়ে আট কোটি টাকার সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য প্রচ্ছন্ন ও সরাসরি রপ্তানি করছে শাহরিয়ারের আদজি ট্রিমস।

রাজধানীর উত্তরায় নিজের কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার নিজের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প শোনালেন ৩৪ বছরের যুবক আল শাহরিয়ার আহমেদ। বললেন, ‘সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য উপখাতে আমরা ক্রেতাদের ওয়ান-স্টপ সার্ভিস দিতে চাই। মানে হচ্ছে, তৈরি পোশাকশিল্পের সব ধরনের সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্যই আমাদের কারখানায় হবে। বর্তমানে আমরা জিপার, বোতাম, কার্টন ও সুইং থ্রেড ছাড়া সব পণ্য করছি। আগামী বছর জিপার ও বোতাম উৎপাদনে যাব আমরা।’

ছোটবেলাতেই উদ্যোক্তার স্বপ্ন
আল শাহরিয়ার আহমেদের শৈশব কেটেছে পটুয়াখালী সদরে। ছোটবেলার একটি ঘটনা ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে বেশ প্রভাব ফেলে তাঁর ওপর। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের ছেলে বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তখন শাহরিয়ার চতুর্থ শ্রেণিতে পড়েন। ঘটনাটা তাঁর মুখেই শুনুন, ‘আমার শিক্ষকের ছেলেকে জিজ্ঞেস করলাম, আঙ্কেল, আপনি বেতন কত পান? বললেন, মাসে ৩৫ হাজার টাকা। আমি বড়সড় ধাক্কা খেলাম। কারণ, তখন ৩৫ হাজার অনেক টাকা। জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি কোম্পানির সবকিছু দেখেন? উত্তর দিলেন, না। তাঁর ওপরে আরও অনেক কর্মকর্তা আছেন। শীর্ষ কর্মকর্তার বেতন ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। আবার প্রশ্ন করলাম, বেতন কে দেয়? উত্তর দিলেন, কোম্পানির মালিক। আমার ছোট্ট মাথায় এল, কোম্পানির মালিক যিনি এত টাকা বেতন দেন, তাঁর বেতন না জানি কত!’
শাহরিয়ার বললেন, ‘সেদিনই আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি হলে কোম্পানির মালিকই হব। আমার প্রতিষ্ঠানে অনেক মানুষ কাজ করবেন। তা ছাড়া আমার পরিবারের সবাই সরকারি চাকরি করেন। তাঁদের সাদাকালো জীবন আমাকে আকর্ষণ করত না।’

চাকরি ছেড়ে শাহরিয়ারের বাবা ব্যবসা শুরু করেন। সেই সুবাদে ১৯৯৮ সালে সাভারের নবীনগরে চলে আসে তাঁদের পরিবার। শাহরিয়ার ভর্তি হলেন বেপজা পাবলিক স্কুলে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরপরই বন্ধুদের সঙ্গে একটি ঘটনা নিয়ে মারামারি হয় শাহরিয়ারের। বাবা রাগ করে তাঁকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেন। অভিমান করে শাহরিয়ারও নারায়ণগঞ্জ চলে গেলেন। সেখানে মাসখানেক বন্ধুদের সঙ্গে থাকার পর মামার ব্যবসা কয়েক দিন দেখাশোনা করেন। এদিকে উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল বের হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে অপেক্ষমাণ তালিকায়ও ছিলেন।
অবশ্য তার আগেই নবীনগরে পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে একসেসরিজ বা সরঞ্জাম উৎপাদক বহুজাতিক কোম্পানি পেক্সার বাংলাদেশ লিমিটেডে চাকরির সুযোগ পান শাহরিয়ার। চাকরি শুরু করলেন। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে। তবে চাকরির কারণে লেখাপড়ায় সুবিধা করা যাচ্ছিল না। পরে ইভনিং কোর্সে ভর্তি হয়ে যান শাহরিয়ার।

সকাল ছয়টায় বাসা থেকে রওনা দিতাম। দিনে কমপক্ষে ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে হতো। কাজের চাপে টানা দু-তিন রাত কারখানার ভেতরে সোফায় রাত কাটিয়ে দিতে হতো।

শাহরিয়ারের চাকরির ইতিবৃত্ত আগেই শুনেছি আমরা। এলিট প্রিন্টিং ইউকে লিমিটেড নামের ব্রিটিশ রাসায়নিক কোম্পানিতে মাসে তিন হাজার পাউন্ডের চাকরির পাশাপাশি নিজের ইন্ডেনটিং ফার্ম চালাচ্ছিলেন। হঠাৎ একদিন কসমো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ারকে তাঁর অফিসে দেখা করতে বলেন। দেখা করতে গেলে ওই ব্যবসায়ী শাহরিয়ারকে যৌথভাবে স্টিকার ও গামটেপ উৎপাদনের প্রস্তাব দেন।

শাহরিয়ার বললেন, কারখানা করার মতো অনেক টাকা নেই। পরে অবশ্য আট লাখ টাকা দিয়ে কোম্পানির ১৫ শতাংশ শেয়ার পান। ঈশ্বরদী ইপিজেডে ফুজিয়ান এক্সপোর্ট ইন্ডাস্ট্রির নির্মাণকাজ শুরু হয়। নানা কারণে কারখানার নির্মাণকাজ বিলম্ব হচ্ছিল। তখন কসমো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের উদ্যোগে গাজীপুরে ভিক্টোরিয়া ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি নামের আরেকটি সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য উৎপাদনের কারখানা করলেন। সেখানে শাহরিয়ারের শেয়ার ২০ শতাংশ।

আল শাহরিয়ার আহমেদ বললেন, ‘গাজীপুরে কারখানাটিকে দাঁড় করাতে অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয়েছে। সকাল ছয়টায় বাসা থেকে রওনা দিতাম। দিনে কমপক্ষে ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে হতো। কাজের চাপে টানা দু-তিন রাত কারখানার ভেতরে সোফায় রাত কাটিয়ে দিতে হতো।’

বছর চারেক ব্যবসা চালানো পর একদিন শেয়ার ফেরত দিয়ে টাকা নিয়ে নিলেন। বন্ধু শিকদার সাফিউজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে গড়লেন আদজি ট্রিমস। দুটি ব্যাংক ও স্পেনের এক ক্রেতার সহযোগিতায় তুরাগে ২০১৬ সালের অক্টোবরে প্রথম কারখানা চালু হলো।
কারখানার শুরুর দিকের কথা বললেন আল শাহরিয়ার আহমেদ, ‘প্রথম দিকে কঠিন সময় পার করতে হয়েছে। আর্থিক সংকট ছিল। অনেক দিন নিজের ক্রেডিট কার্ডের টাকা দিয়ে কারখানার ডিজেল কিনতে হয়েছে। তবে পথঘাট চেনা থাকায় দ্রুত আমরা উন্নতি করতে পেরেছি।’

আদজি ট্রিমস বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ওভেন লেবেল ও ট্যাগ, টুইল ট্যাপ, কাগজের মোড়কপণ্য, পলিব্যাগ ইত্যাদি তৈরি করে। পরিবেশ সুরক্ষায় পচনশীল পলিব্যাগ প্রস্তুত করছে প্রতিষ্ঠানটি। দেশে হাতে গোনা যে কয়টি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন বা আরএফআইডি লেবেল ও ট্যাগ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তার মধ্যে আদজি ট্রিমস অন্যতম।

আল শাহরিয়ার আহমেদ বর্তমানে সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্যের পাশাপাশি কৃষিপণ্যে বিনিয়োগ করছেন। করোনার কারণে কিছুটা পিছিয়ে গেলেও শিগগিরই ধামরাইয়ে কৃষি খামার ও বীজ উৎপাদনে যাচ্ছে তাঁর দুই প্রতিষ্ঠান। বললেন, ‘কৃষিতে ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। সেটি আমরা কাজে লাগাতে চাই।’

তৈরি পোশাক খাতে সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্যে ৮৫-৯০ শতাংশ দেশীয় প্রতিষ্ঠান জোগান দেয়। বাকিটা বিদেশ থেকে আমদানি হয়। সে কারণে সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্যের উপখাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এমন মন্তব্য করে আল শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, পোশাক ছাড়াও খাদ্য, ওষুধসহ সব ধরনের পণ্যেই মোড়কপণ্যেও চাহিদা রয়েছে। কীভাবে সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য তৈরি হয়, সেই টেকনিক্যাল বিষয়গুলো জেনে এই ব্যবসায় আসতে হবে।

Ref: https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A7%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B2-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0

21
আধুনিক যুগের প্রথম শেয়ার লেনদেন হয় ১৬ শতকে, আমস্টারডামে।। ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ছিল স্টক এক্সচেঞ্জের প্রথম তালিকাভুক্ত কোম্পানি।

রোমান প্রজাতন্ত্রের সময় থেকেই কিন্তু শেয়ার লেনদেনের বিষয়টি ছিল। গবেষকদের ধারণা, প্রাচীন রোমে সীমিত দায়ের কোম্পানি ধারণা না থাকলেও বিভিন্ন ব্যবসায় অংশীদারত্বের মতো কিছু বিনিয়োগের সুযোগ ছিল। তবে সে সময় এক্সচেঞ্জের মতো কোনো প্রতিষ্ঠান বা ভবন তৈরি হয়নি। পুঁজিবাজার ধারণার শুরুটা মূলত বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্পে। ১৫৩১ সালে অ্যান্টওয়ার্পে প্রতিষ্ঠা হয় বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন স্টক এক্সচেঞ্জ। ব্রোকার ও মানি লেন্ডাররা সেখানে ব্যবসায়িক, সরকারিসহ নানা ধরনের লেনদেনের জন্য জড়ো হতেন। তবে সে সময় লেনদেনযোগ্য কোনো অফিশিয়াল স্টক ছিল না। ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা ও অর্থদাতাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অংশীদারত্ব ছিল। কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের কোনো চল সে সময় ছিল না। সেই আধুনিক পুঁজিবাজারের সূত্র আমস্টারডাম।

বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ১০ স্টক এক্সচেঞ্জ

১. আমস্টারডাম স্টক এক্সচেঞ্জে
আধুনিক স্টক এক্সচেঞ্জের যাত্রা শুরু হয় ১৬০২ সালে। ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির তালিকাভুক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আমস্টারডাম স্টক এক্সচেঞ্জ। এটি স্টক ও বন্ড ইস্যুকারী প্রথম সংস্থা ছিল। বহু বছর ধরে কেবল এই কোম্পানিই তালিকাভুক্ত ছিল।

২. প্যারিস স্টক এক্সচেঞ্জ
ফ্রান্সের প্যারিসে ১৭২৪ সালে প্যারিস স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় প্রাচীন স্টক এক্সচেঞ্জ। তবে ২০০০ সালে আমস্টারডাম, প্যারিস ও ব্রাসেলস স্টক এক্সচেঞ্জকে একীভূতকরণের মাধ্যমে ইউরোনেক্সট প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত ইউরো আসার পর বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর কার্যালয় প্যারিসে।
 

বিজ্ঞাপন
৩. ফিলাডেলফিয়া স্টক এক্সচেঞ্জ
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রাচীনতম স্টক এক্সচেঞ্জ হলো ফিলাডেলফিয়া স্টক এক্সচেঞ্জ। ১৭৯০ সালে ‘ফিলাডেলফিয়ার বোর্ড অব ব্রোকার্স’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। অবশ্য পরবর্তী ২০০ বছরে এটি বেশ কয়েকবার এর নাম ও অবস্থান পরিবর্তন করেছে।

৪. লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে
১৮০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ। তবে এর ভিত অনেক পুরোনো। ১৫৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত রয়্যাল স্টক এক্সচেঞ্জের ভিত্তিমূলের ওপরই প্রতিষ্ঠিত হয় লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ। ২০০৭ সালে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তারা ইতালির মিলান স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে একীভূত হয়।

৫. বোরসা স্টক এক্সচেঞ্জ
 বোরসা স্টক এক্সচেঞ্জ মিলান-ভিত্তিক। ২০০৭ সালে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে একীভূত হয় এরা। বোরসা ডি কমার্সিয়ো দ্য মিলানো (মিলান স্টক এক্সচেঞ্জ) নামে পরিচিত এই স্টক এক্সচেঞ্জ মূলত ১৮০৮ সালে ইতালির নেপোলিয়োনিক কিংডমের ভাইসরয় ইউজন ডি বোয়ার্নইস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৯৯৮ সালে এটি বেসরকারি মালিকানাধীনে চলে যায়।

৬. নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বাণিজ্যিক শহর নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে অবস্থিত এই স্টক এক্সচেঞ্জ বিশ্বের অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম পুঁজিবাজার। এর পরিচিতি মূলত ওয়ালস্ট্রিট নামে। ১৭৯২ সালের ১৭ মে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর বাজার মূলধন প্রায় ২৫ দশমিক ৫৩ ট্রিলিয়ন ডলার। এখানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৭০ বিলিয়ন ডলার লেনদেন হয়।

৭. ফ্রাঙ্কফুর্ট স্টক এক্সচেঞ্জ
১৮২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই স্টক এক্সচেঞ্জ। বাজার মূলধনের দিক দিয়ে এটি বিশ্বের ১২তম বৃহৎ স্টক এক্সচেঞ্জ।

৮. মাদ্রিদ স্টক এক্সচেঞ্জ
মাদ্রিদ স্টক এক্সচেঞ্জ স্পেনের চারটি স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে বৃহত্তম। বোলাস ওয়াই মার্কাডোস স্প্যানিয়োলসের মালিকানাধীন এটি। ১৮৩১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ঐতিহাসিক প্যালাসিও দে লা বলসা ডি ভবনে এটি অবস্থিত। স্পেন কিংডমের আইনের অধীনে এটি একটি করপোরেশন।

৯. টরন্টো স্টক এক্সচেঞ্জে
কানাডার টিএমএক্স গ্রুপের মালিকানাধীন টরন্টো স্টক এক্সচেঞ্জ বাজার মূলধনের দিক দিয়ে বিশ্বের নবম বৃহত্তম স্টক এক্সচেঞ্জ। টরন্টো স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬১ সালে।

১০. বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ
১৮৭৫ সালের ৯ জুলাই মুম্বাইয়ের দালাল স্ট্রিটে বোম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসই) প্রতিষ্ঠিত হয়। এশিয়ার প্রথম স্টক এক্সচেঞ্জ এটি। তৎকালীন বোম্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যবসায়ী প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ এটি প্রতিষ্ঠা করেন। মজার বিষয় হচ্ছে, ১৮৫০ সালের দিকে বোম্বের টাউন হলের সামনে একটি বটগাছের নিচে লেনদেনের কাজ চালাতেন শেয়ারবাজারে আগ্রহীরা। ১৮৭৪ সাল পর্যন্ত সেভাবেই হয়েছে। কিন্তু একসময় শেয়ার কেনাবেচার লোক বেড়ে যায়। স্থায়ী একটি অবস্থানের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। পরে দালাল স্ট্রিটকে বেছে নেওয়া হয়। ভারতের স্বাধীনতার এক দশক পরে, অর্থাৎ ১৯৫৭ সালের ৩১ আগস্ট বিএসইর সিকিউরিটিজ কন্ট্রাক্টস রেগুলেশন আইনের অধীনে ভারত সরকার স্টক এক্সচেঞ্জের স্বীকৃতি দেয়। ১৯৮৬ সালে বিএসইর সেনসেক্স সূচক যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে বাজার মূলধনের ভিত্তিতে এটি বিশ্বের দশম বৃহৎ স্টক এক্সচেঞ্জ।

Ref: https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%80-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%95-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C

22
আমরা দেখেছি যে একটা স্টার্টআপ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ বা এসএমইর তুলনায় আরও অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এবং বেশি বিনিয়োগের ব্যাপার। তারপরও কেন বিনিয়োগকারীরা স্টার্টআপে বিনিয়োগ করে? যেকোনো স্টার্টআপে বিনিয়োগ করা পুরোটাই একটি ঝুঁকি বণ্টনের খেলা। একজন স্টার্টআপ বিনিয়োগকারী তাঁর পুরো মূলধনের খুব অল্প পরিমাণ টাকা একটি স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু একসঙ্গে ১০টি ভিন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেন। কেন? কারণ, তাঁরা জানেন, টাকাটা আসলে কখনো লাভসমেত ফেরত না–ও আসতে পারে। তাঁরা ধরেই নেন, তাঁদের বিনিয়োগের সাতটি কোম্পানি ব্যর্থ হবে, তবে আশা করেন, যে তিনটি কোম্পানি সফল হবে, তারা অন্য সাতটির খরচ পুষিয়ে দেবে। স্টার্টআপ বিনিয়োগকারীরা স্কেল করতে পারেন, এ রকম কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

স্টার্টআপ আর এসএমইর মধ্যে একটা বড় পার্থক্য হলো তাদের বের হওয়া বা ‘এক্সিট স্ট্র্যাটেজি’। বেশির ভাগ এসএমই চাইবে প্রতি মাসে অল্প অল্প করে ব্যবসা বড় করে বছরের পর বছর চালিয়ে যেতে। যদি কোনো বিনিয়োগকারী তাঁদের শেয়ার বিক্রি করতে চান, তাহলে উদ্যোক্তার যথেষ্ট টাকা থাকলে তার কাছেই বিক্রি করতে পারবেন।

অন্যদিকে একটি স্টার্টআপের অবশ্যই পরিষ্কার এক্সিট স্ট্র্যাটেজি থাকতে হবে। সাধারণত উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য তিনটি উপায় থাকে:

১. একুইজেশন বা অধিগ্রহণ: কেউ একজন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের শেয়ারসহ পুরো কোম্পানি কিনে নেন। যদি কোম্পানি কৌশলগতভাবে যথেষ্ট পরিমাণ মূল্যবান মনে হয়, তা শুরুর দিকেও হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যখন আমাজন ৯৭ কোটি ডলার দিয়ে টুইচ কিনে নেয়, তখন তার বয়স ছিল মাত্র তিন বছর। কিন্তু ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বুঝতে পেরে এবং নিজেদের এডব্লিউএসের (আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস) সুবিধা নিয়ে কম খরচের জন্য আমাজন টুইচ কিনে নেয়।

২. প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও: কোম্পানিটি কোনো স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। গুগল (বর্তমান মূল্য ৯২ কোটি ৫০ লাখ ডলার) শুরুতে মাত্র ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগ তুলতে পেরেছিল আইপিওভুক্ত হওয়ার আগে, এটির মূল্য তখন ছিল মাত্র ২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বিনিয়োগকারী এবং প্রতিষ্ঠাতারা তখন তাঁদের শেয়ার বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছিলেন সেই অবস্থাতেই।

৩. সেকেন্ডারি বাজারে বিক্রি: গোজেক, একটি ইন্দোনেশিয়ান ইউনিকর্ন এবং পাঠাওয়ে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, সম্প্রতি এক হাজার কোটি ডলারের সিরিজ এফ বিনিয়োগ তুলেছে। তার মধ্যেই বিনিয়োগকারীরা, যাঁরা সিরিজ এ বা সিরিজ বিতে বিনিয়োগ করেছিলেন, তাঁরা তাঁদের শেয়ার নতুন বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করে ফেলতে পেরেছিলেন। প্রতিষ্ঠাতাদের ক্ষেত্রে তাঁদের শেয়ার বিক্রি করে দেওয়ার সুযোগটা এমন অবস্থায় সাধারণত হয় না, কিন্তু এই ব্যাপার আসলে আরও অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে।
বের হওয়ার বা এক্সিটের কোনো সেরা উপায় বলতে কিছু আসলে নেই, কিন্তু একটি স্টার্টআপের জন্য সেরা এক্সিট স্ট্র্যাটেজি জেনে রাখা খুবই দরকারি।

উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, উবার এত বড় কোম্পানি হয়ে গিয়েছিল যে তাদের জন্য অধিগ্রহণের চেয়ে আইপিও বেছে নেওয়াই উত্তম ছিল। কেননা, খুব কমসংখ্যক বৈশ্বিক কোম্পানিরই উবারকে কিনে নেওয়ার সামর্থ্য ছিল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, মাথায় রাখতে হবে যে একজন বিনিয়োগকারী এবং একজন প্রতিষ্ঠাতা, উভয়ের জন্যই এক্সিট করার উপায়গুলো জেনে রাখা বেশ দরকারি, যাতে সবাই সবার বিনিয়োগ করা টাকা লাভসহ ফেরত পেতে পারে।

আপনার স্টার্টআপটি ব্যবসায়িকভাবে সফল না হতে পারে বা স্কেল না করতে পারে, তাহলে চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কোভিড-১৯–এর পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যাপারটি বোঝা আরও একটু বেশি জরুরি। কেননা, এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায় লাভ করা প্রকৃতপক্ষেই বেশ কঠিন। এ রকম অবস্থায় আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানকে একটি ‘লাইফস্টাইল’ কোম্পানিতে পরিণত করতে পারেন, মানে, ভবিষ্যতে আরও বিনিয়োগের এবং এক্সিটের চিন্তা না করে ব্যবসাটিকে স্থিতাবস্থায় নিয়ে আসা, কিংবা এই যাত্রায় ক্ষান্ত দেওয়া। কেননা, ‘ব্যবসায় ক্ষতি হবে’ এটা যখন জানা, তখন তাতে আরও টাকা খাটানোর সিদ্ধান্ত খুব একটা ভালো সিদ্ধান্ত নয়।

একটি স্টার্টআপের যদিও উচিত লাভজনক হওয়ার চেষ্টা করা, কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে তাদের এটাও মাথায় রাখতে হবে যে তাদের মূল্য নিরূপণ যাতে বেশি হয় এবং সবশেষে মার্কেট এক্সিট বা প্রস্থানের ব্যবস্থা।

আদতে একটি স্টার্টআপকে একটি এসএমই থেকে পৃথক করে তার বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের আদর্শ বা নীতিসমূহ। কেননা, ঝুঁকির সঙ্গে সম্ভাব্য পারিতোষিকের মিল থাকতেই হবে। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য আরও একটা ব্যাপার বোঝা খুব জরুরি, একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী কেন শুধু বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চাইবেন, যদি তিনি তাঁর নিজের দেশেই একই রকম লভ্যাংশ ফেরত পেয়ে থাকেন? বিদেশি বিনিয়োগ নিতে হলে, অবশ্যই অধিকতর রিটার্নের সুযোগ থাকতে হবে।

তবে আপনার নতুন উদ্যোগ তবে কী? স্টার্টআপ না এসএমই? একজন প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে এই পার্থক্যটা করতে পারা জরুরি, যাতে বিনিয়োগকারীরা আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যথাযথ ধারণা পেতে পারেন।

Ref: https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%86%E0%A6%AA-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8

23
ব্যবসা যদি করে থাকেন, তাহলে তো এ কথা অবশ্যই শুনেছেন যে টাকা আসতে টাকা লাগে। অথবা টাকা ছাড়া টাকা হয় না। তো বিষয় একই, যদি আয় করতে হয়, আগে বিনিয়োগ করতে হয়। তবে বিনিয়োগের সিদ্ধান্তটা খুব সহজ নয়। বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই ভাবতে হবে এই অর্থ ফেরত আসবে কি না।
 উদ্যোক্তাদের সহায়তাকারী ওয়েবসাইট অন্থ্রোপ্রনার জানিয়েছে, নিজ ব্যবসায় বিনিয়োগের আগে কোন তিন প্রশ্ন করবেন নিজেকে।
 

১. লক্ষ্য নির্ধারণ
বিনিয়োগ করার আগে লক্ষ্যটা নির্ধারণ করতে হবে। টাকা ঢেলে আসলে কী পেতে চাচ্ছেন? সেটা অর্জন করতে কী কী দরকার হবে? টাকাগুলো কোন কোন খাতে খরচ করলে লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে? ছোট ছোট পথগুলো কোনটা কোন দিকে বাঁক নেবে? কোনো একটা বিফল হলে পরবর্তী পরিকল্পনা কী? সবকিছু যদি আগে থেকে পরিষ্কার না হয়, তবে সেখানে বিনিয়োগ করা যাবে না। বিনিয়োগের আগে লক্ষ্য নির্ধারণ করে সে পর্যন্ত প্রতিটা পথ খুব ভালো করে যাচাই করতে নিতে হবে।
 

২. নিজের সীমা যাচাই করা
পথ জানার পর পরের ধাপ হচ্ছে কীভাবে সেই পথ পাড়ি দেওয়া যায়। ধরা যাক, একটা পথ পাড়ি দিতে হলে সপ্তাহে ৫০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। অথচ ব্যবসার সক্ষমতা আছে মাত্র ১০ ঘণ্টা কাজ করার। এসব ক্ষেত্রে বিনিয়োগ না করাই ভালো।

শুধু কাজের সীমা নয়, চিন্তার সীমাকেও বাড়িয়ে নিতে হবে। নতুন উদ্যোগ বা ব্যবসায় নতুন এলে নিজের মধ্যেই অনেক দ্বিধা থাকে। এসব দ্বিধা দূর করে কিছু সাহসী পদক্ষেপ নিতে হবে। যেমন মূল্য ছাড় দিলে হয়তো লাভ কম থাকে। তবে এটা পরীক্ষিত যে মূল্যছাড়ে আয় কম হলেও ব্যবসার সফলতায় এটি প্রয়োজন।
যদি লক্ষ্যের সঙ্গে সীমার কোনো দ্বন্দ্ব না হয়, তবেই কেবল সামনে আগানো উচিত।

৩. সহায়তার মাত্রা নির্ধারণ
যদি ব্যবসা একটা যাত্রা হয়, বিনিয়োগ একটা বাহন। এই বাহন দিয়ে আমরা এক অবস্থান থেকে আরেক অবস্থানে পৌঁছাই। এখন সেই পর্যন্ত পৌঁছাতে আমরা কতটা সহযোগিতা পেতে পারি, তা-ও নির্ধারণ করতে হবে বিনিয়োগের আগে।
ধরুন আপনি একটি পণ্য কারওয়ান বাজার থেকে মিরপুরে নেবেন। এখন সেই পণ্যটা ভ্যানেও নিতে পারেন অথবা ট্রাকেও। জানতে হবে কতটা খরচ এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আছে। অথবা বেশি খরচ করে দ্রুত কাজ করলে কোনো সুবিধা পাওয়া যায় কি না।

মোট কথা, বিনিয়োগ যদি সঠিক ফল দেয়, তবে সেই বিনিয়োগ করতে হবে।

Ref: https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A8-2

24
Learn Entrepreneurship / Building The Resilient Organization
« on: January 28, 2021, 07:18:12 PM »
In the wake of a tumultuous 2020, Deloitte Global’s 2021 Resilience Report explores the concept of organizational resilience. We wanted to know how organizations were coping with the unexpected challenges they faced in the past year and get their opinions about what made their organizations more or less able to withstand chaos. From that analysis, we sought to identify what traits define resilient organizations—traits business leaders can emulate to build greater resilience into their own organizations.

Oak tree
DELOITTE GLOBAL
We identified five characteristics of resilient organizations that enable and promote nimble strategies, adaptive cultures, and the implementation and effective use of advanced technology. Businesses that can bounce back from unexpected challenges typically are:

Prepared. Most successful CXOs plan for eventualities, both short- and long-term. More than 85% of CXOs whose organizations successfully balance addressing short- and long-term priorities felt they had pivoted very effectively to adapt to the events of 2020, whereas fewer than half of organizations without that balance felt the same.
Adaptable. Leaders recognize the importance of having versatile employees, especially after a year like 2020. To that end, flexibility/adaptability was, by far, the workforce trait CXOs said was most critical to their organizations’ futures.
Collaborative. CXOs indicated the importance of collaboration within their organizations, noting that it sped decision-making, mitigated risk, and increased innovation. In fact, removing silos and increasing collaboration was one of the top strategic actions CXOs took before and during 2020.
Trustworthy. CXOs understand the challenge of building trust. More than a third of responding CXOs were not confident their organizations had succeeded in developing trust between leaders and employees. Those who are succeeding are focusing on improving communication and transparency with key stakeholders, as well as leading with empathy.
Responsible. Most CXOs acknowledge that the business world has a responsibility beyond the bottom line. Eighty-seven percent of surveyed CXOs who said they have done very well at balancing all of their stakeholders’ needs also felt that their organizations could quickly adapt and pivot in response to disruptive events. That’s nearly 50 percentage points more than the proportion of CXOs who said the same at organizations that haven’t done well at balancing their stakeholders’ needs.
Most resilient organizations focus on all of these traits to some degree, not just one or two of them. In part, this is because these characteristics often overlap and support one another. For instance, companies that practice stakeholder capitalism are likely focused on trustworthiness and ethical behavior.

Further, these five attributes aren’t immutable, nor do they just occur organically. They require desire, effort, investment, and action to cultivate and maintain. The survey suggests that organizations that deliberately build these attributes into their mindsets and cultures are better positioned to overcome disruptions and help usher in a “better normal” post-pandemic. For example, CXOs who said their organizations had done very well in cultivating resilient cultures were about three times more likely than those lacking resilient cultures to say they weathered the events of 2020 well.

Leaders can’t be sure their organizations are truly resilient until they’re tested by adversity. The toughest and most important test most have ever taken arrived in 2020, and for some CXOs, revealed that their organizations were more resilient than they realized. Before 2020, only 24% of CXOs felt completely ready to lead through potential disruptions, and only 21% felt completely confident their organizations could quickly adapt and pivot, if needed. In the midst of the pandemic, however, these numbers jumped to 34% and 30%, respectively, indicating that the events of 2020 have given some CXOs a confidence boost about their organizations’—and their own—resilience. Yet that still leaves 66% of CXOs who don’t feel completely ready to lead and 70% who don’t have complete confidence in their organizations’ ability to pivot and adapt to disruptive events.

Perhaps most importantly, the data suggests that speed matters. Organizations that made early investments in resilient strategies during the COVID-19 crisis—or, even better, had already made strategic, workforce, and technology investments in capabilities that enhance resilience—outperformed their competition. This finding points to a fundamental lesson that the pandemic brought home: that resilience is as much about thinking ahead as it is about doing what it takes to respond and recover from a crisis.

For more insights from Deloitte’s 2021 Resilience Report, please visit: www.deloitte.com/resilience2021

Ref: https://www.forbes.com/sites/deloitte/2021/01/25/building-the-resilient-organization/?sh=7ea58d696977

25
Electrion is a startup founded by four Ohio State engineering students who want to create a zero-emission option for portable power.

Anita Nti, CEO of Electrion, says that while portable power isn't a new concept, the company wants to make it convenient and affordable for people looking for a zero-emission option for their portable power.

"Sure, today you can go buy a portable battery pack off-the-shelf, but most people will still turn to the gas generator because of the high cost of batteries, which cost three to five times more than an equivalent gas generator," said Nti. "Our Energy Storage-as-a-Service (ESaaS) model is designed to accelerate the adoption of portable clean energy through a short-term rental model available in our app."

Electrion is also focusing on second life automotive batteries through a partnership with Honda to repurpose batteries from electric vehicles (EVs) for smaller mobile energy applications. "Not only are we extending the life of these batteries, but we are reducing our waste by avoiding purchasing new batteries. It truly is a win-win for sustainability,” added Nti.

The new company, with an early round of funding from MegaJoule Ventures, has a variety of prototypes for release in Q1, 2021. They have partnered with the Columbus North chapter of ​FIT4MOM to add a small portable pack with a heating pad to fit into strollers to keep kids warm during a workout stroll.

MORE FOR YOU
Garmin Lily Is A Fitness Tracking Smartwatch Made For Women
How The Biden Administration Plans To Expand Broadband
Apple Releases iOS 14.4: Important Update With New Features & Bug Fixes
The startup is working with CampusParc and the Department of Transportation and Traffic Management at Ohio State University on several pilot initiatives, including providing power to variable message boards for traffic management and Covid-19 testing/vaccination sites.

Each Electrion portable power pack has cloud connectivity with the ability to provide real-time data.

"Through our app, people can order battery packs and view their total energy consumption, the amount of emissions they have averted, and also receive tips that help them be more sustainable," added Nti.

Nti says that because sustainability is their top priority, the company delivers portable packs using environmentally-friendly electric cargo bikes. "The overall goal is to show how easy and convenient clean energy and being sustainable can be," said Nti.

Pandemics and portable energy
With the world living through the Covid-19 pandemic for most of 2020, Glenn Jakins, CEO of Humless, believes that portable energy provides a sense of security.

"I think people have realized that things can change quickly. They're not as certain as they were before, and they have realized that it's wise to have a little bit of backup power in case of an emergency," said Jakins. "The way our lives are now, there's no getting away from the fact that we need electricity; we need power."

Jakins says that having a small portable energy system means you have power at your fingertips when you need it. "You can keep your phone and computer charged at any time and feel secure in the knowledge that you will be able to do what you need to do," said Jakins.

"On a larger scale, people are working from anywhere now. More and more people are using that freedom to live completely off the grid in vans, in tiny houses, and because these portable power systems exist, they can do that and still be connected in all the ways that matter," added Jakins.

Energy storage trends
Research firm Technavio predicts that the residential solar energy storage market will grow by $26.59 billion from 2020 through 2024.

Jakins believes there will be four energy story trends we can expect to see in 2021: the expansion of storage on existing solar-powered homes, battery storage on multiple family dwelling units, electric vehicle charging; and, making more efficient batteries with longer life spans.

Jakins points to California's new mandate that all new buildings need to have solar panels in 2021.

"As part of that mandate, we're seeing multi-family dwelling units get battery backup, something that hasn't been a priority for landlords to this point," said Jakins. "This has caused a huge upswing in residential installations in general, and a surge in commercial containerized solutions as well."

"With containerized battery storage, instead of installing just a 20 kilowatts system, we can put 1.5 megawatts of storage together and install that as a central energy storage solution," added Jakins.

For Electrion, the bigger picture is how people view portable energy storage.

"In remote regions of the world, big companies will deploy stationary units, on the order of megawatt or gigawatt-hour of energy, to power towns and villages," said Nti. "While this is a much-needed service for those with limited access to power, we believe there is an opportunity to not only shift our focus to the small-to-intermediate scale but also change the way we think about delivering energy."

"By providing a rapidly deployable unit, Electrion empowers people to utilize the energy in a way that meets their needs. The large scale efforts cannot be overlooked, but we believe it's the little things that add up to make a great impact," added Nti.

Ref: https://www.forbes.com/sites/jenniferhicks/2021/01/27/this-startup-wants-to-make-zero-emissions-portable-power-a-thing/?sh=50456420576d

26

সকালে ঘুম থেকে উঠে মৃদুমন্দ নির্মল বাতাসে হাঁটা, বিকেলের নরম রোদে ছাদবাগানে সময় কাটানো কিংবা রাতের তারাভরা আকাশ উপভোগ—কংক্রিটের নগরীর অনেক বাসিন্দাই স্বপ্ন দেখেন, নিজের অ্যাপার্টমেন্টটি এমন হবে। কর্মব্যস্ত দিন শেষে, মন প্রফুল্ল রাখতে নানা ধরনের প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ আমরা খুঁজি আজকাল। কীভাবে নিজেকে সুস্থ রাখা যায়। সেই সঙ্গে অ্যাপার্টমেন্ট, ছাদ, পার্কিং, এমনকি লবিতে কতটা সবুজের ছোঁয়া দেওয়া যায়—এই ভাবনায় ব্যস্ত সবাই।

একটা সময় গাছপালার সবুজ আমাদের ঘিরে রাখত। আর এখন এক টুকরো সবুজ প্রকৃতির আশায় ছুটতে হয় দূর থেকে দূরের কোনো গ্রামে। রাজধানীতে সবুজের দেখা কম মেলে। ইট, পাথর, কংক্রিটের দেয়ালে ঠাসা এই শহর। বারান্দায় দাঁড়ালে কিংবা জানালায় চোখ রাখলে এক টুকরা আকাশও দেখা যায় না। এমন একটা সময় ছিল, যখন বাড়ির উঠানে থাকত ফুলের বাগান। পেছন দিকে থাকত ফল কিংবা সবজির আবাদ, এখন যা শুধুই স্মৃতি। তাই তো ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব ফ্ল্যাটকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ক্রেতারা। বাড়ির পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত করতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও নকশার ক্ষেত্রে সেটব্যাকের বিষয়টি বাধ্যতামূলক করেছে। সেটব্যাক মেনে ভবনের নকশা করলে সামনে-পেছনে জমির আয়তন অনুসারে জায়গা ছাড়তে হয়। ফলে ভবন নির্মাণের পর আলো-বাতাসের পর্যাপ্ত উৎস রাখা সম্ভব হয়। ক্রেতার চাহিদা, পরিবেশবান্ধব আবাসন ও আধুনিক নগরায়ণের পাশাপাশি গুণগত মান বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছে আবাসন প্রতিষ্ঠান আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসেন খালিদ বলেন, ‘আমরা পরিবেশবান্ধব আবাসনের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। এ কারণেই নকশার সময় থেকেই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। আমাদের প্রতিটি প্রকল্পে সোলারের মাধ্যমে বিকল্প আলোর ব্যবস্থা এবং রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং পদ্ধতি সংযুক্ত থাকে। তা ছাড়া আলো-বাতাসের পরিপূর্ণ ব্যবস্থা রাখতে সেটব্যাক মেনে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা ছেড়ে তবেই ভবন নির্মাণ করা হয়।’

এরই ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক মানের নকশা, আধুনিকতা ও নান্দনিকতার সমন্বয় ঘটেছে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি ভবনে। বাড়তি সুযোগ-সুবিধা থাকছে এক্সক্লুসিভ প্রজেক্টগুলোয়। যেমন: একাধিক বেজমেন্ট ও ওপেন গ্রাউন্ড ফ্লোরের সঙ্গে পার্কিং, রিসেপশন, ওয়েটিং এরিয়া, জিম, নামাজের স্থান, কমিউনিটি স্পেস, ড্রাইভারদের বসার জায়গা, লন্ড্রি ইত্যাদি। পাশাপাশি থাকছে পর্যাপ্ত সবুজের ব্যবস্থা।

আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের ভবনগুলো বিষয়ে হোসেন খালিদ বলেন, ‘আমাদের প্রতিটি প্রজেক্টের প্রতিটি ইউনিটেই রয়েছে প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। মিলবে সবুজঘেরা প্রবেশপথ। আছে পানির ফোয়ারা। অনেক ভবনে ফায়ার হাইড্রেন্টের বিশেষ সুবিধাও পাওয়া যাবে। অর্থাৎ কোথাও আগুন লাগলে তা শনাক্তকরণ ও নিরোধক—দুই ধরনের ব্যবস্থাই থাকে। রয়েছে হোম অটোমেশন পদ্ধতি ও রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং পদ্ধতি। এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার পাশাপাশি আছে ভিডিও ইন্টারকম ব্যবস্থা। প্রযুক্তিনির্ভরতার কথা মাথায় রেখে অনেক কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে ওয়াই-ফাইয়ের সুব্যবস্থাও। একাধিক লিফটের পাশাপাশি জেনারেটরের ব্যবস্থা তো থাকছেই।

পরিবেশবান্ধব আবাসন এখন খোঁজেন সবাই। অ্যাপার্টমেন্ট, ছাদ, পার্কিং, এমনকি লবিতে কতটা সবুজের ছোঁয়া দেওয়া যায়—এই ভাবনায় এখন ব্যস্ত সবাই
পরিবেশবান্ধব আবাসন এখন খোঁজেন সবাই। অ্যাপার্টমেন্ট, ছাদ, পার্কিং, এমনকি লবিতে কতটা সবুজের ছোঁয়া দেওয়া যায়—এই ভাবনায় এখন ব্যস্ত সবাইছবি:

‘আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের ভবনগুলোর ইন্টেরিয়র ডিজাইনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, স্বতন্ত্র ডিজাইনের পাশাপাশি ম্যাটেরিয়াল ব্যবহারেও আমরা আধুনিক ও নান্দনিক। এক্সক্লুসিভ প্রজেক্টগুলোর বেডরুম, ডাইনিং, ড্রয়িং, লিভিং, ফায়ার এবং ব্যালকনিতে ব্যবহৃত হয় উন্নত মানের মিরর পলিশ টাইলস। বাথরুম ও কিচেনের ফ্লোরে ব্যবহার করা হয় বিদেশি লেজার কাট টাইলস। বাইরের ক্ষতিকর তাপ ও শব্দ যেন তুলনামূলক কম প্রবেশ করে, সে জন্য জানালাগুলোয় ব্যবহার করা হয় ডাবল ডাবল গ্লেসড গ্লাস। রান্নাঘরের ইন্টেরিয়রের ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয়। সেখানে সিলিং পর্যন্ত শোভা পায় উন্নতমানের বিদেশি ওয়াল টাইলস। রয়েছে কেবিনেটের সুব্যবস্থা। সেই সঙ্গে কিচেন টপে গ্রানাইটের ব্যবহার সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি ওয়ার্কটপ হিসেবেও কাজ করে। চলমান অনেক এক্সক্লুসিভ প্রজেক্টের ছাদে রয়েছে সুইমিংপুল। প্রকৃতির সঙ্গে বন্ধুত্ব করেই সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপন সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি। প্রয়োজনের তাগিদে যতই কংক্রিটের স্থাপনা তৈরি হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত প্রকৃতি ছাড়া সুস্থ-সুন্দর জীবন অসম্ভব।’

নগরজীবনে বসবাসের জন্য মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্প জনপ্রিয় হচ্ছে। সে জন্য বড় আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন সেদিকে ঝুঁকছে। আনোয়ার ল্যান্ডমার্কও ব্যতিক্রম নয়। প্রতিষ্ঠানটি সবার আগে প্রাধান্য দিচ্ছে পরিবেশবান্ধব আবাসনের বিষয়টিকে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক আনোয়ার ল্যান্ডমার্কেও কন্ডোমিনিয়ামগুলোর সুযোগ-সুবিধা।

ফিটনেস ও স্পোর্টস জোন
এই জোনে সুইমিংপুল, ছেলেদের ফিটনেস সেন্টার, মেয়েদের ফিটনেস সেন্টার, বিলিয়ার্ড রুম, স্কোয়াশ, বাস্কেট বল কোর্ট এবং জগিং লুপের ব্যবস্থা থাকছে।

অতিথি আপ্যায়ন
যেকোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য কন্ডোমিনিয়ামের বাসিন্দাদের যেন বাইরে যেতে না হয়, সে জন্য দুটি পার্টি হলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ক্যাফে এবং বেকারির ব্যবস্থাও থাকছে। অতিথিদের অপেক্ষার বিষয়টিও স্থপতিদের নজর এড়ায়নি। তাই তাদের অপেক্ষার জন্য থাকছে বসার সুব্যবস্থাও।

ফ্যামিলি এন্টারটেইনমেন্ট
এই জোনের মধ্যে অ্যাম্ফিথিয়েটার, মুভি থিয়েটার, লাইব্রেরি, রিডিংরুম, সিনিয়র লাউঞ্জ ছাড়াও থাকছে নামাজের স্থান।

শিশুদের বিনোদনব্যবস্থা
কংক্রিটের এই নগরীতে শিশুদের সময় কাটছে চার দেয়ালের মধ্যে। বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তাদের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা। তাই এই প্রকল্পে শিশুদের জন্য থাকছে খেলার মাঠ, ব্যাডমিন্টন কোর্ট, টোডলার নার্সারি এবং অ্যাক্টিভিটি রুমে ব্যবস্থা।

প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা
কমপ্লেক্সের বাসিন্দাদের সুবিধার জন্য মিনি মার্ট, বিউটি পারলার, সেলুন, বিজনেস সেন্টার, লন্ড্রি, ডাক্তার হাউস, ২৪ ঘণ্টা ফার্মেসি সুবিধা এবং গাড়ি মেরামতের ব্যবস্থাও থাকছে।

কাঠামোগত সুবিধাদি
গেট হাউস, ইএমই হাব, ওয়াটার রিজার্ভার, গ্যাস/এলপিজি স্টোরেজ হাব, অগ্নিনির্বাপণ অফিস, নিরাপত্তাকেন্দ্র, গারভেজ এবং এখানে কর্মরত কর্মচারীদের জন্য ডরমিটরির ব্যবস্থাও থাকছে এই প্রকল্পের আওতায়।

Ref: https://www.prothomalo.com/business/corporate/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF

27
Discussion / Blue economy of Bangladesh: Prospects and challenges
« on: January 28, 2021, 02:22:51 PM »
The Oceanic Economy popularly known as blue economy has emerged as a crucial development issue for optimum use of the oceans, seas and marine resources for sustainable development. Among the sustainable development goals (SDGs), SDG-14 focuses on sustainable use of the oceans, seas and marine resources for sustainable development. Ocean assets provide food and energy which are essential ingredients of human life. By overlooking the three-fourth proportion of the surface of earth, it is tough to achieve sustainable economic development by 2030. Given this, Bangladesh has adopted steps to ensure sustainable use the oceans, seas and marine resources attaining inclusive development and goal related to SDG-14.



Bangladesh has 710 km long coastline with an exclusive economic zone of 200 Nautical Miles inside the Bay of Bengal. Marine fisheries contribute 19.40 per cent of the total fish production of the country. Besides, on an average, 81.0 per cent of the international tourists visit Cox's Bazaar in Bangladesh. The ocean of Bangladesh is contributing a noteworthy role to its overall socio-economic growth through enhancing the economic activities across the country and especially to the coastal zone at southern part.

A new economic area for Bangladesh is demarcated in the Bay of Bengal. Already, Bangladesh has taken steps to flourish its Blue Economy in order to utilize its new marine resources. Since 2015, the Government of Bangladesh (GoB) has undertaken a number of consultations and workshops on Blue Economy. In addition, Seventh-Five Year Plan (7FYP) of Bangladesh has mentioned twelve actions for maintaining a prosperous and sustainable Blue Economy, which include fisheries, renewable energy, human resources, transshipment, tourism and climate change among others. Moreover, in 2017, the "Blue Economy Cell' under Ministry of Foreign Affairs (MoFA), GoB has been established with the mandate to coordinate Blue Economy initiatives across sectoral ministries.

Blue Economy has the prospect to contribute Bangladesh economy on a much higher level. Twenty six potential Blue Economy sectors have been identified by the MoFA which include the fishery, maritime trade and shipping, energy, tourism, coastal protection, maritime safety and surveillance for development of blue economy in Bangladesh.

SHIPPING: Mostly the Bangladesh's external freight trade is seaborne (2018) which is 90.0 per cent of the total freight trade of the country. Therefore, it appears that our economy may heavily depend on freight trade in future. So, to retain the huge amount of freight charges within the country, incentives might be provided to local shipping companies to add more ships to the existing fl eet. Besides, coastal shipping, seaports, passenger ferry services, inland water way transport, ship building and ship recycling industries should get more importance to carry on sustainable economic growth of our country.

FISHERY: Experts opine that fish alone has 500 varieties besides snails, shell-fish, crabs, sharks, octopuses and other animals. It is estimated that Bangladesh catches only 0.70 million tons of fish every year out of the total 8.0 million tons of fish available in the Bay of Bengal. It is worthwhile to mention that 15.0 percent of the protein is provided from sea resources for the people across the world. As many people depend on oceans for their livelihood and foods, increased efforts are needed to save ocean resources. Oil and gas: Bangladesh is yet to assess the true potential of its offshore gas prospects. Bangladesh could also have gas fields in its area of the sea. Bangladesh possess some gas fields in the land and like Myanmar, Bangladesh may have the potentials to get more gas fields in the sea which may add to the total reserve of gas of the country. Besides, oil and gas, sea salt, ocean renewable energy, blue energy (osmosis) and biomass, aggregates mining (sand, gravel, etc.) and marine genetic resource should get more attention as ocean resources. Therefore, these plenty of potential may contribute to our sustainable economic development in future.

TOURISM: Globally, coastal tourism is the largest market segment and represents 5.0 per cent of world Gross Domestic Product (GDP) and contributes 6.0-7.0 per cent of total employment. In 150 countries, it is one of five top export earners. It is the main source of foreign exchange for one-half of the Least Developed Countries (LDCs). Coastal tourism includes: (a) beach-based recreation and tourism; (b) tourist activities in proximity to the sea; and (c) nautical boating including yachting and marinas. Sustainable tourism can create new employment opportunities and reduce poverty. So, Bangladesh can earn foreign exchange from tourism industry which may contribute to GDP growth as well as help achieve SDGs by 2030. It is reported that the country has 75 outer-islands which could be utilised for tourists both local and foreign.

FUTURE OF EXPLORATION: Exploring and exploiting these sea resources through the use of appropriate technology, the economy of Bangladesh can grow rapidly. Bangladesh gained a defined maritime zone in the Bay of Bengal after a long time dispute settlement of maritime boundary with India and Myanmar. Bangladesh may pay attention in advancing its Blue Economy to utilise its vast sea region with sea-based resources through ensuring a sustainable balance between the protection of marine ecosystem and marine resources. Now, Bangladesh can create more spaces to ensure economic growth through fresh investments in marine trade and commerce.

The country has so far, explored only a few number of Blue Economy sectors such as fisheries and aquaculture, shipbuilding, ship breaking, salt generation and port facilities. Besides, most of these sectors are following traditional methods. Therefore, there still remains ample opportunities as well as challenges for exploring large number of blue economy sectors, safeguarding mangrove and ocean grass, addressing environmental changes and managing carbon discharge, and introducing innovative technology for further development to contribute in achieving sustainable development goals.

The piece is excerpted from Bangladesh Bank Annual Report (July 2019-June 2020). www.bb.org,bd

Ref: https://today.thefinancialexpress.com.bd/views-opinion/blue-economy-of-bangladesh-prospects-and-challenges-1611753914

28
Discussion / Exporters to enjoy enhanced credit limit until June 30
« on: January 28, 2021, 02:21:45 PM »
The central bank has extended the period of enhanced credit limit under its Export Development Fund (EDF) scheme for the textiles and clothing exporters by six more months to help boost proceeds from overseas sales.

The members of the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) and the Bangladesh Textile Mills Association (BTMA) are eligible to enjoy the enhanced loan ceiling until June 30 of this year instead of December 31 of last year, according to a notification, issued by the Bangladesh Bank (BB), on Wednesday.

"Given the ongoing situation due to Covid-19, it has been decided to continue the enhanced limit of $30.00 million for disbursements until June 30, 2021, to member mills of BGMEA and BTMA," the central bank said in the notification.

On May 17 last year, the BB enhanced the loan limit under the EDF scheme from $25 million to $30 million for the BGMEA and BTMA members for input procurement.

The EDF financing allows manufacturers to procure inputs or raw materials against back-to-back import letters of credit (LCs) or inland back-to-back LCs in foreign exchange to produce final output for direct export and local delivery to manufacturers of final export.

Ref: https://today.thefinancialexpress.com.bd/trade-market/exporters-to-enjoy-enhanced-credit-limit-until-june-30-1611763846

29
Egyptian Ambassador to Bangladesh Haytham Ghobhashy has said Bangladesh has to improve its infrastructure sector to attract local and foreign investment and improve people's living standard, and Egyptian entrepreneurs can play a vital role in the development of the sector.

He also said Bangladesh's construction and infrastructure sectors have a great potential to lure foreign investors where government and private sector of both the countries can explore for joint collaboration.

The Egyptian ambassador said this during a meeting with Dhaka Chamber of Commerce and Industry (DCCI) President Rizwan Rahman at the DCCI in the city on Tuesday, said a press release.

DCCI Senior Vice President N K A Mobin, Deputy Head of Mission of Egyptian Embassy Mariam M Ragaei and DCCI Vice President Monowar Hossain were present at the meeting.

Due to Covid-19 pandemic, Egypt is more focused on doing business with the South Asian (south-south) nations, said the ambassador, seeking cooperation from Bangladesh to boost trade in this region.

Egypt enjoys duty-free and quota-free access to the USA, EU, Latin America and Middle Eastern countries, he said and urged Bangladesh's private sector to invest in Egypt to avail these facilities in terms of export.

DCCI President Rizwan Rahman suggested that Egypt can utilise Bangladesh to produce same or similar products to be price competitive in the African Continental Free Trade Area (AFCFTA).

Referring to the Oxford Internet Institute (OII), he said that Bangladesh has the second largest pool of online workers in the world. "Egypt can utilise this expertise," he added.

The trade gap between Bangladesh and Egypt is $33.54 million according to the statistics of 2019-20 FY. In 2019-20 FY, Bangladesh's export to Egypt was $28.36 million and import $61.9 million.

Jute is the major export item from Bangladesh which accounts for $31.33 million alone.

Rizwan Rahman also requested the ambassador to import cotton, knitwear, woven garments, footwear, pharmaceuticals and ceramic products.

The DCCI President proposed setting up 'Egypt Help Desk' at DCCI where entrepreneurs from both the countries would get required information in terms of trade and investment.

The desk will also work to enhance know-how and information sharing among the businesspersons of Bangladesh and Egypt.

Ref: https://today.thefinancialexpress.com.bd/trade-market/egyptian-entrepreneurs-can-help-develop-infrastructure-envoy-1611763717

30
Terming access to finance for cottage, micro, small and medium enterprises (CMSMEs) the biggest challenge, DCCI President Rizwan Rahman has said separation of medium-sized businesses from that category could resolve many of the problems.

He told a press meet on Saturday that cottage, micro and small enterprises do not get enough access to formal credit due to many obstacles while medium enterprises receive a major portion of the amount dedicated for this segment of business.

“If we can separate medium enterprises from the segment and merge them with large enterprises, it could help resolve many of the problems,” he added.


In the press meet, the Dhaka Chamber of Commerce and Industry (DCCI) shared the future priorities it would advocate at policy level throughout the year.

The chamber puts CMSMEs at the top of its priorities as these businesses together contribute 25 per cent to GDP (gross domestic product), 80 per cent to industrial employment and 45 per cent to manufacturing value addition.

Dwelling on the stimulus package for CMSMEs in the wake of the Covid-19 pandemic, Mr Rahman mentioned that the government has provided Tk 227 billion as incentive, of which 54.13 per cent has been disbursed as of December 2020.

The business leader suggested that the disbursement can be accelerated by engaging the SME Foundation, BSCIC (Bangladesh Small and Cottage Industries Corporation) and NGOs in the distribution process.

“The challenges of easing access to formal finance for CMSMEs can also be addressed through introduction of SME Bank and SME Bond.”

Citing VAT-related example from the United Kingdom (UK), the DCCI president said the UK authorities either reduce or suspend VAT for a certain period and the government incentivises its revenue board from the stimulus package.

“If we can replicate it here, many of the complexities will be resolved. This model can be very fruitful here,” he pointed out.

For greater development of SMEs, he proposed formulating SME Development Act instead of SME Policy as an act can give the sector a legal framework.

The DCCI president said they would prepare a detailed profile and discuss it with the ministries concerned for a comprehensive policy framework for CMSMEs.

Talking about diversification of export items and its market, Mr Rahman said readymade garment contributed 83 per cent to the country’s overall export while around 80 per cent of export is concentrated on western countries.

“We need to focus more on the Asian markets. We also need to increase the export base so that we need not depend only on the west. We should also go far the east.”

On the occasion of the birth centenary of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and the golden jubilee of the country’s independence, he said DCCI has a plan to hold DCCI Investment Summit in the Asian region sometime later this year.

About the LDC graduation, the DCCI chief said some of the facilities Bangladesh is enjoying now because of being a ‘least developed country’ will no longer be available after graduation from this status.

“But it is inevitable, today or tomorrow we will be out of the LDC status, but for that we have to be prepared,” he said highlighting the importance of improving the country’s global competitiveness, which, he added, would come into play after graduation.

Regarding investment, he said global FDI has already come down by 50 per cent due to the pandemic situation. “In view of this, reduced FDI inflow to Bangladesh is not an exception.”

He said: “We may not see a robust FDI improvement overnight in this situation but the government may consider facilitating home-grown local investors by giving them same incentives that a foreign investor enjoys. It will boost local investment.”

Considering the present economic and investment scenario, he urged the government to slash corporate tax rate at a progressive rate of 5 per cent, 7 per cent and 10 per cent respectively in the next three fiscal years.

DCCI Senior Vice President NKA Mobin, Vice President Monowar Hossain, Directors Md. Shahid Hossain, Golam Zilani, Hossain A Sikder and Nasiruddin A Ferdous were also present at the press meet.

Ref: https://www.thefinancialexpress.com.bd/trade/dcci-president-proposes-sme-bond-distinct-category-for-smaller-enterprises-1611418131

Pages: 1 [2] 3 4 5